রিয়াল মাদ্রিদের জার্মান ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগার উয়েফার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচের পর তার
একটি বিতর্কিত অঙ্গভঙ্গি তদন্ত করছে ইউরোপিয়ান ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। নিষেধাজ্ঞা পেলে আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে আর্সেনালের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না তিনি।
রিয়াল মাদ্রিদ উয়েফার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা এলে দল সাজানো নিয়ে চাপে পড়বেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। আগামী ৮ এপ্রিল লন্ডনে আর্সেনালের বিপক্ষে প্রথম লেগ এবং ১৬ এপ্রিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে দ্বিতীয় লেগ খেলবে রিয়াল মাদ্রিদ।
গত ১২ মার্চ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রাউন্ড অব ১৬-এর দ্বিতীয় লেগে নাটকীয় পেনাল্টি শুটআউটে জয় পায় রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচ চলাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে রিয়ালের কয়েকজন খেলোয়াড়ের আচরণ তদন্ত করছে উয়েফা।
বিশেষত রুডিগারের পাশাপাশি ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও স্প্যানিশ মিডফিল্ডার দানি সেবাইয়োসের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।
তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন রুডিগার। ম্যাচ শেষে অ্যাটলেটিকো সমর্থকদের উদ্দেশে ‘গলা কাটার’ অঙ্গভঙ্গি করেন তিনি, যা অনেকের কাছেই হুমকিসূচক মনে হয়েছে। উয়েফা এই আচরণকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করছে, যার ফলে তার নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।
এমবাপ্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে অশোভন উদযাপনের। একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, তিনি গোল উদযাপনের সময় বিতর্কিত অঙ্গভঙ্গি করেছেন। যদিও এটি গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ নয় বলে মনে করা হচ্ছে। একই কারণে ভিনিসিয়ুস ও সেবাইয়োসকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে-এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস ও সেবাইয়োসের শাস্তি তুলনামূলক হালকা হতে পারে। তাদের আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি এক ম্যাচের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ, আগামী এক বছরে একই ধরনের আচরণ করলে তখন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
রুডিগারের শাস্তি নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। তদন্তে উয়েফা রুডিগারের অঙ্গভঙ্গি আগ্রাসী ও উসকানিমূলক হিসেবে দেখছে। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) উয়েফা তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। এতে আগামী ৮ এপ্রিল আর্সেনালের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে রুডিগার নাও খেলতে পারেন। (স্পোর্টস ডেস্ক)