হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কীভাবে ঈদের ছুটির মাঝেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।
খাবারে শাকসবজি ও ফল যোগ করুন, যেমন— পালংশাক, টমেটো, তরমুজ ইত্যাদি। এগুলো কম ফ্যাটযুক্ত, তবে পুষ্টি ও ফাইবারসমৃদ্ধ, যা শরীরের জন্য উপকারী।
উৎসবের আনন্দে ব্যায়ামের কথা ভুলে গেলে চলবে না। ভারী খাবার ও রাতজাগা শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে, তাই নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর সুস্থ থাকবে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত হবে এবং শরীরের টক্সিন দূর হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে মিষ্টি খাবার কম খেতে হবে।
মগজ, মাথার মাংস, মাথার হাড়, গলা, পাঁজর, মজ্জা, পায়া ও ভুঁড়ি না খাওয়াই ভালো। হাড়ের ভেতরের তেলতেলে অংশ খাবেন না। নেহারি খাবেন না। মূল খাবারের আগে লম্বা সময় খালি পেটে থাকবেন না। ঈদের কাজের ব্যস্ততাতেও সামান্য বিরতি নিয়ে হালকা খাবার খেয়ে নিন। স্বাস্থ্যকর নাশতা বা পানীয় তৈরি করে রাখতে পারেন, ফলও খেতে পারেন।
কোমল পানীয় অনেকের কাছেই ঈদ উৎসবের এক অপরিহার্য অংশ। কিন্তু এসব পানীয় খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। চিনিযুক্ত কোনো পানীয় গ্রহণ না করাই ভালো। ঈদে বিভিন্ন মজাদার সালাদ খেতে পারেন। টক দইয়ের ড্রেসিং আর সুস্বাদু মসলা কাজে লাগাতে পারেন।
তেল বা ঘি যতটা সম্ভব কম গ্রহণ করুন। অল্প তেলে রান্না করবেন। ডুবো তেলে ভাজা খাবার না খাওয়াই ভালো। ভরপেট খাওয়ার পর অলস না বসে থেকে পরিবারের সঙ্গে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।
(স্বাস্থ্য ডেস্ক)